স্টাফ রিপোর্টার।।
চেক চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মায়া বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা পান্না বেগমের দায়ের করা মামলায় গত ২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন।
বাদী পান্না বেগমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন বলে জানা গেছে।
মামলার নথি ও বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মায়া বেগমের সঙ্গে পান্না বেগমের পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই সুবাদে মায়া বেগম নিয়মিত পান্না বেগমের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে পান্না বেগমের ব্যাংক হিসাবের দুই-তিনটি চেকের পাতা চুরি করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে মায়া বেগমের বিরুদ্ধে।
চেক হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে পান্না বেগম ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে চুরি হওয়া চেক উদ্ধারের জন্য ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর কেরানীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামলা করেন তিনি।
বাদীর অভিযোগ, এর কিছুদিন পর তিনি জানতে পারেন, চুরি হওয়া চেকগুলোর একটি চেকে ৪০ লাখ টাকা লিখে তাঁর স্বাক্ষর জাল করে এনআরবিসি ব্যাংকের আগানগর শাখায় টাকা উত্তোলনের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।
পরে ওই চেক ব্যবহার করে পান্না বেগম ও তাঁর মেয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মায়া বেগম। মামলার নকল কপি সংগ্রহ করে চেকটি দেখার পর পান্না বেগমের সন্দেহ হয়, তাঁর স্বাক্ষর জাল করে চেকে টাকার অঙ্ক বসানো হয়েছে।
বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বাদীর দাবি, সিআইডির তদন্তে চেকের স্বাক্ষর জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে আদালত মায়া বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরও তিনি গ্রেপ্তার হননি বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী। তাঁর দাবি, আসামি প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন এবং মামলার বাদী ও সাক্ষীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন।
পান্না বেগম আরও অভিযোগ করেন, মায়া বেগম নিজ এলাকায় প্রকাশ্যে অবস্থান করলেও কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে পান্না বেগম অবিলম্বে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মায়া বেগমকে গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মোবাইল: +8801740652911
ইমেল: journalistbabo@gmail.com
www.comillanews.com