
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর এলাকায় পারিবারিক একটি পুকুরের ওয়ারিশগণের একজন তাঁর বাড়ির সীমানা দেওয়াল, গাছগাছালি রক্ষা এবং একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ও এলাকার লোকজনের জন্য পানি ব্যবহার, গৃহস্থালি কাজের সুবিধার্থে ঘাটলা নিমার্ণের উদ্যোগকে পুকুর ভরাটের চেষ্টা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে স্থানীয় একটি মহল।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে এধরণের অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা ও পুকুরের মালিকপক্ষের ওয়ারিসগণের একজন মরহুম আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পুকুর ভরাটের ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত দেখে থাকি, ট্রাক্টর বা ড্রামট্রাকে করে নদীর পাড়ের বা চরের বা ফসলি জমির মাটি এনে পুকুর, জলাশয় ভরাট করে থাকে। কিন্তু আমাদের পারিবারিক এই পুকুরটির আশে পাশে এলাকার কেউ কোনদিন মাটিভর্তি, ট্রাক্টর, ড্রামট্রাক দেখেনি।’
তিনি বলেন, ‘পুকুর ভরাটের নামে অপপ্রচার চালানো সহ পরিবেশ অধিদপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করা করা হয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বলবো, আমাদের পারিবারিক ওই পুকুরের পাড় ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিলে বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ফাটল, গাছগাছালির ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিলে বাড়ির কাজের ও আমার দোকানের পাশের পুরাতন বিল্ডিং ভাঙ্গার রাবিশ ভ্যান দিয়ে এনে ফাটল দেখা দেওয়া দেওয়াল ঘেঁষে পুকুরের পাড়ে ও যেখানে গাছগাছালি রয়েছে সেখানে ফেলা হয়। তবে এসব রাবিশ ফেলতে গিয়ে কিছু অংশ পাড়ের বাইরে পানির অংশে পড়েছে। এটিকেই স্থানীয় কিছু লোক ভরাট বলে অপপ্রচার করছে। অথচ আমরা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পুকুরটি পাড় বাঁধাইসহ একটি ঘাটলা নির্মাণ করা হবে। যাতে আমাদের বাড়ির ভেতর একটি মাদরাসা রয়েছে, এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন পুকুরের পানি ব্যবহার ও গৃহস্থালি কাজ করতে পারে। কিন্তু আমাদের এই ভালো উদ্যোগটাকে এলাকার অনেকেই পছন্দ করছেন না।’
পুকুরের ওয়ারিশগণের পক্ষে আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পরিবারের লোকজন বা ওয়ারিশগণের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে, এটি একান্তই আমাদের বিষয়। কিন্তু তৃতীয়পক্ষ আমাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করতেই সুযোগ খুঁজছে এবং অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আমরা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নোটিশের যথাযথ জবাব দেবো এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বুঝাতে সক্ষম হবো বলে আশা করছি।’
মোবাইল: +8801740652911
ইমেল: journalistbabo@gmail.com
www.comillanews.com