
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে “ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগের সংবাদ সম্মেলন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলার হরিপুর গ্রামের মোঃ মাহফুজুল ইসলাম।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৩ মে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকায় উক্ত শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে বলা হয়, হরিপুর মৌজার ১৩১ নম্বর দাগে মো. আবুল কালাম আজাদ চার শতক ভূমি ক্রয় করে খতিয়ান সৃজন ও খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। তবে মাহফুজুল ইসলামের দাবি, এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।

তিনি বলেন, উক্ত চার শতক জমির প্রকৃত মালিক জহিরুল ইসলাম ও তার বোন হোসনেয়ারা বেগম। খতিয়ানের হিস্যা অনুযায়ী জহিরুল ইসলামের অংশ .২৬৭ শতাংশ এবং হোসনেয়ারা বেগমের অংশ .১৩৩ শতাংশ। অভিযোগ করা হয়, জহিরুল ইসলাম প্রতারণার মাধ্যমে বোনের অংশের সম্পত্তিসহ পুরো জমি আবুল কালাম আজাদের কাছে বিক্রি করেন এবং পরে কালাম তার নামে নামজারি খতিয়ান সৃজন করেন।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে হোসনেয়ারা বেগম বুড়িচং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তদন্ত শেষে গত ৪ জানুয়ারি তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তানভীর হোসেন ১০২১ নম্বর খারিজ খতিয়ান বাতিল করেন এবং বোনের হিস্যা অনুযায়ী সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরে গত ১ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৬৯৩ নম্বর অ-ফেরতযোগ্য আমমোক্তারনামা দলিলের মাধ্যমে হোসনেয়ারা বেগম তার হিস্যার .১৩৩ শতাংশ জমি মোঃ মাহফুজুল ইসলামকে সর্বময় ক্ষমতা প্রদান করেন।
এছাড়া আবুল কালাম আজাদের করা ঘর নির্মাণে বাধা ও দেয়াল-পিলার ভাঙচুরের অভিযোগও অস্বীকার করেন মাহফুজুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেও অভিযোগের সত্যতা পায়নি। বোনের সম্পত্তি প্রতারণার মাধ্যমে ক্রয় করে দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আবুল কালাম আজাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।
প্রতিবাদলিপিতে মাহফুজুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রকৃত মালিকানা ও দখল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।