স্টাফ রিপোর্টার।।
মুরাদনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ২২টি ইউনিয়ন আছে। বেশ বড় এলাকা। এখানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ছয়বার সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

আওয়ামী লীগ আমলে তিনি দীর্ঘসময় এলাকায় আসতে পারেননি। ৫ অগাস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি আবার এলাকায় ফিরেছেন। এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে ভোটের মাঠ অনেকটাই নিজের অনুকূলে নিতে পেরেছেন।
তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে আলোচনা আছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সমর্থন রয়েছে ইউসুফ সোহেলের প্রতি। তিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান।
বিএনপি প্রার্থী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেন, “আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করি। মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করতে চাই। এবার ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েই আবার মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমি এখানে ছিলাম, আছি এবং থাকব।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল বলেন, “আমি মুরাদনগরের কল্যাণে নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রাখি। তাই এবারও লড়াইয়ে আছি।”
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৯ হাজার এবং নারী ২ লাখ ৪১ হাজার।
এখানে অন্য প্রার্থীরা হলেন-বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ুম, এনডিএম এর রিয়াজ মো. শরীফ, আমজনতার দলের চৌধুরী রকিবুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার।