
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মো.সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর কাছে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া চাঁদার জন্য ওই প্রবাসীকে পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাইফুল উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়কের পদে রয়েছেন। তিনি বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের গান্ধাচি মৃত আবদুল গফুরের ছেলে।
এদিকে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী ইলিয়াছ মজুমদার বাবুল ওই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন। বাহারাইন প্রবাসী ব্যবসায়ী
ইলিয়াছ বাঙ্গড্ডা গ্রামের আবদুল মতিন মজুমদারের ছেলে। তিনি বাহারাইন শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতির পদে রয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি এএইচএম তাইফুর আলম জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ঘটনাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), কুমিল্লাকে নির্দেশনা দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার আদালতে মামলাটি হয়েছে।
মামলার বাদী ইলিয়াছ মজুমদার বলেন, গত ২০ নভেম্বর (শুক্রবার) রাতে বাঙ্গড্ডা বাজারে যুবলীগ নেতা সাইফুল ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমার উপর বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় সে আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আমার কাছে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তারা বলে এলাকায় থাকতে হলে তাদের চাঁদা দিতে হবে। কিন্তু আমি চাঁদা দিতে রাজি না হওয়াতে সে ও তার লোকজন আমাকে মারধর করে। পরে বাজারের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে। আমি প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছি। এরপর অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। সে এর আগেও এমন অনেক ঘটনা করেছে। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রবাসী ইলিয়াছ আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট দিয়েছে। আমি তার বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে থানায় জিডি করেছি। আর এনিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছে। তাকে মারধর করা, চাঁদা দাবি, পিস্তল ঠেকানো এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমি সামনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো। এজন্য এসব অপপ্রচার ও মিথ্যা ঘটনা সাজানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে।