০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অসহায়দের পাশে রয়েছে দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা কুমিল্লায় জামায়াত প্রার্থীসহ ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্তার কার্যালয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কুবিতে খালেদা জিয়া, হাদি ও দীপু চন্দ্রের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা ব্রাহ্মণপাড়ায় মাটি ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা; ড্রেজিংয়ের সরঞ্জাম ধ্বংস কুবি ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছে ৯৬ হাজার, আসন প্রতি লড়বেন ১০৯ জন কুমিল্লায় পবিত্র কোরানের সুর অডিশন রাউন্ড অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বুড়িচংয়ে কৃষিজমির মাটি কাটার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা বুড়িচং দারুস সালাম মাদানীয়া মাদরাসায় বই উৎসব অনুষ্ঠিত

বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

  • তারিখ : ০৪:২৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১
  • 50

বরুড়া প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার বরুড়ায় ঐতিহাসিক আজ ৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনিসুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বরুড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সময় প্রধান অতিথি ছিলেন বরুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এন এম মইনুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সাত্তার সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন আজ ৭ ডিসেম্বর কুমিল্লার বরুড়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে বরুড়া মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ আর নির্যাতনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীসহ সর্বস্তরের জনগণের উল্লাস ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে, মুক্ত হয় বরুড়া। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সাড়াশী আক্রমণে পাক সেনারা তাদের ক্যাম্প গুটিয়ে বরুড়া ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যে অবস্থানরত পাক সেনাদের সঙ্গে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে পাকসেনাদের প্রধান ঘাঁটি পতনের মধ্য দিয়ে পরদিন ৭ ডিসেম্বর বরুড়া পাক সেনা মুক্ত হয়।

এদিন ভোরে মুক্তিসেনারা বরুড়ার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে আনন্দ উল্লাস করে কুমিল্লা শহরে প্রবেশ করে। স্থানীয় জনসাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেয়। পরে এদিন বিকেলে বরুড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা। এসময় আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার যুদ্ধ কালিন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা স্মৃতিচারণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিকভাবে ইতিহাস তরুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আহবান করেন।

error: Content is protected !!

বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

তারিখ : ০৪:২৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১

বরুড়া প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার বরুড়ায় ঐতিহাসিক আজ ৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনিসুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বরুড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সময় প্রধান অতিথি ছিলেন বরুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এন এম মইনুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সাত্তার সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন আজ ৭ ডিসেম্বর কুমিল্লার বরুড়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে বরুড়া মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ আর নির্যাতনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীসহ সর্বস্তরের জনগণের উল্লাস ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে, মুক্ত হয় বরুড়া। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সাড়াশী আক্রমণে পাক সেনারা তাদের ক্যাম্প গুটিয়ে বরুড়া ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যে অবস্থানরত পাক সেনাদের সঙ্গে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে পাকসেনাদের প্রধান ঘাঁটি পতনের মধ্য দিয়ে পরদিন ৭ ডিসেম্বর বরুড়া পাক সেনা মুক্ত হয়।

এদিন ভোরে মুক্তিসেনারা বরুড়ার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে আনন্দ উল্লাস করে কুমিল্লা শহরে প্রবেশ করে। স্থানীয় জনসাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেয়। পরে এদিন বিকেলে বরুড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা। এসময় আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার যুদ্ধ কালিন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা স্মৃতিচারণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিকভাবে ইতিহাস তরুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আহবান করেন।