
স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লা নগরীর কাঁটাবিলে মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে স্কুল ছাত্র আহত হবার ঘটনায় আরো তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামি আসিফ, আশিক ও ইমনকে ইথানের বাবা ইউনুস মিয়ার দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখনো হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে কোতয়ালী থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।
সোমবার দুপুরে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওসি তৌহিদুল আনোয়ার এসব তথ্য জানান। এর আগে এই মামলায় শ্রাবন নামে আরো এক যুবককে গ্রেফতার করা হয় এবং ৬ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল উদ্ধার করা হয়। সে সব্বির গ্রুপের সদস্য এবং আসিফ, আশিক ও ইমন ‘অপু গ্রুপ’ এর সদস্য।

অপু ও সাব্বির গ্রুপের সংঘর্ষের জেরেই কাটাবিলে ইথান গুলিবিদ্ধ হয়। আসিফ (২৬) নগরীর কাটাবিল এলাকার মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে, আশিক(৩৫) একই এলাকার মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে এবং ইমন (১৯) ওই এলাকার ইকবাল মিয়ার ছেলে। তাদের গতকাল ও আজ জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
জানা গেছে, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়া নিয়ে কাঁটাবিল এলাকায় গত ২৪ জুন বুধবার রাতে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকার প্রতিবাদী লোকজনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কাটাবিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাদকবিরোধী মানববন্ধন হয়।
মানবন্ধনে অংশ নেওয়া লোকজন জানান, দুপুরে হঠাৎ অস্ত্র হাতে একদল লোক মানববন্ধনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ সময় তারা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটালে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি করেন। সংঘর্ষ চলাকালে ইথান আহমেদ প্রেম গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হন। ইথান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার ফুসফুসে গুলি আঘাত করেছে।
গুলিবিদ্ধ ইথান কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য, টিফিনের বিরতিতে ইথান বাসায় যাচ্ছিল। তার বাবা ইউনুস মিয়া নগরীর সিটি পার্কের একটি রাইডের কর্মচারী।