কুমিল্লা-২: সংঘাত আর কোন্দলে অস্থির বিএনপি, সক্রিয় জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টার।।
হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ আসনটি একসময় বিএনপির শীর্ষ নেতা এম কে আনোয়ারের শক্ত ঘাঁটি ছিল। তার মৃত্যুর পর এক ধরনের নেতৃত্ব-শূন্যতা তৈরি হয়। এবার এখান থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

Post Inside

আবার এখানে বিদ্রোহী হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস আবদুল মতিন, তার মার্কা তালা। প্রচার শুরুর দিনেই সেলিম ভুইয়া ও আবদুল মতিনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেও ঘটনাও ঘটেছে।

জামায়াতে ইসলামী এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লাকে। আবার জাতীয় পার্টি থেকে ভোটের মাঠে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন ভূঁইয়া। চার প্রার্থীর প্রচারে ভোটের মাঠ জমে উঠলেও এখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস দিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।

বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া বলেন, “হোমনা-তিতাসের মানুষ বিএনপিকেই ভালোবাসে। বিএনপি যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা তাকেই ভোট দেবে। আমরা চাই, বিরোধিতা ছেড়ে সবাই ধানের শীষের জয়ে কাজ করবে। আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে চাই।”

বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ আবদুল মতিন খান বলেন, “জনগণের ইচ্ছায় আমি এখান থেকে নির্বাচন করতে চাই। আমরা কোনো বহিরাগত কাউকে এই আসনে নিজেদের প্রতিনিধি করতে পারি না। তাই আমি নির্বাচন করছি, এই এলাকার মানুষের জন্য।”

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজিম উদ্দিন মোল্লা বলেন, “আমরা মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করছি, জামায়াত কিভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে এবং করছে। বাংলাদেশের কল্যাণে জামায়াত কাজ করছে। তাই আমরা প্রত্যাশা করি, সাধারণ মানুষ আমাকে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করবে।”

তিনি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে প্রত্যাশা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’। আমরা যেন হোমনা তিতাসের মানুষের কাছে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে প্রচার চালাতে পারি।”

এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৭৭ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার। আসনের ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৭টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বিবেচনায় রেখেছে প্রশাসন।

এখানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুল আলম এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফন্ট্রের আবদুস সালাম।

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!