
আতাউর রহমান।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার জামতলী গ্রামে সৌদি আরবপ্রবাসী মো. নাজির মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয়দের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও তার কফিল ড. খালেদ আহমেদ সালেহ আল গমেদী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে তিনি জামতলী গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দারা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন। পরে তিনি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তার আগমনকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, জামতলী গ্রামের মৃত আবদুল আহেদের ছেলে মো. নাজির মিয়া প্রায় ২৫ বছর ধরে সৌদি আরবে ড. খালেদ আহমেদ সালেহ আল গমেদীর অধীনে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিনের কর্মসম্পর্কের পাশাপাশি তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে পারিবারিক সখ্যও। সেই সম্পর্কের টানেই দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণ করে এবার বাংলাদেশে এসে নাজির মিয়ার বাড়িতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন সৌদি এই চিকিৎসক।
প্রবাসী মো. নাজির মিয়া বলেন, “আমি প্রায় ২৫ বছর ধরে ড. খালেদ আহমেদ সালেহ আল গমেদীর অধীনে কাজ করছি। তিনি অনেক আগে থেকেই আমার বাংলাদেশে বাড়িতে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করতেন। কিন্তু সৌদি আরবের একজন ব্যস্ত চিকিৎসক হওয়ায় সময় করে উঠতে পারেননি। অবশেষে তিনি আমার বাড়িতে এসেছেন। তাকে আমার দেশ ও বাড়িতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি।”
ড. খালেদ আহমেদ সালেহ আল গমেদী বলেন, “বাংলাদেশ খুবই সুন্দর একটি দেশ। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। সবার সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লাগছে। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে আবারও বাংলাদেশে আসব, ইনশাআল্লাহ।”
তার আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের শত শত মানুষ প্রবাসী নাজির মিয়ার বাড়িতে ভিড় করেন। অতিথিকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
এদিকে, সৌদি অতিথির আগমনে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মো. নাজির মিয়া বলেন, “আমার আনন্দের মুহূর্তটি সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য যারা এসেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”