মির্জাচরে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না এই মর্মে হাইকোর্টের রুল

মোঃ জহিরুল হক বাবু।।
নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার মির্জাচর ইউনিয়নে বহু বাড়ি ঘর, শত শত একর ফসলি জমি, কবরস্থান, হাট বাজারে ও ঈদগাহ মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

হুমকিতে রয়েছে ইউনিয়নের বেশ কিছু সরকারী বে-সরকারী স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও হাট বাজার। এ নিয়ে রোববার মহামান্য হাইকোর্টের একটি রীটের শুনানীর পরিপ্রেক্ষিতে, দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত কিছু সচিত্র প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রীটটি দাখিল করা হয়েছে।

মির্জাচর ইউনিয়ন পরিষদের শান্তিপুর মির্জারচর গ্রামের বীর মুক্তিযাদ্ধো মোঃ আবুল হোসেন এর রীটের পক্ষে শুনানী করেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মোঃ কাইয়ুম মিয়া, পিতা- মৃত শিশু মিয়া, মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ, মেস জানপুর, থানা সদর নরসিংদী ইজারার নামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ ও পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এর ধারা লংঘন করেছেন মর্মে রীটে উল্লেখ করেন।

রোববার মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

রুলে বিবাদী করা হয় কেবিনেট সচিব, সিনিয়র সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সিনিয়র সচিব ভূমি মন্ত্রণালয়, সিনিয়র সচিব স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়, সিনিয়র সচিব পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, সিনিয়র সচিব নৌ-পরিবহন, ডি.জি ওয়াসা, পরিচালক এনফোরসমেন্ট ডিপার্টমেন্ট পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক নরসিংদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়পুর উপজেলা, সহকারী কমিশনার ভূমি রায়পুর এবং মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী কায়েম মিয়া।

রিটকারী আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া আরো বলেন, আদলত বিষয়টি আমলে নিয়ে নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। মহামান্য হাইকোর্টের ঐতিহাসিক আদেশের ফলে জনস্বার্থে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসের হাত হতে রক্ষা পাচ্ছে। যা তিনি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

     আরো দেখুন:

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

You cannot copy content of this page