০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অসহায়দের পাশে রয়েছে দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা কুমিল্লায় জামায়াত প্রার্থীসহ ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্তার কার্যালয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কুবিতে খালেদা জিয়া, হাদি ও দীপু চন্দ্রের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা ব্রাহ্মণপাড়ায় মাটি ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা; ড্রেজিংয়ের সরঞ্জাম ধ্বংস কুবি ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছে ৯৬ হাজার, আসন প্রতি লড়বেন ১০৯ জন কুমিল্লায় পবিত্র কোরানের সুর অডিশন রাউন্ড অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বুড়িচংয়ে কৃষিজমির মাটি কাটার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা বুড়িচং দারুস সালাম মাদানীয়া মাদরাসায় বই উৎসব অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, ২ জন কারাগারে

  • তারিখ : ১২:৫৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
  • 46

নিউজ ডেস্ক।।
কুমিল্লার হোমনায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৫ অক্টোবর) তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন মো. ইয়াসিন ও মো. আল আমিন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. ফয়সাল সরকার মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে আসা এক আত্মীয়কে রিসিভ করতে বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখানে যুবলীগ নেতা ইয়াসীনকে দেখে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ফেসবুক ও নানা স্থানে খারাপ মন্তব্য করার অভিযোগ তোলেন ফয়সাল। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এর জেরে ওই দিন বিকেলে ইয়াসিন ও তার ভাই পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান দলবল নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সরকারের বাড়িতে গিয়ে তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও গালাগাল করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফয়সাল সরকার তার মা ও বন্ধু পলাশকে নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে যাওয়ার পথে থানার সামনে আবার তাদের ওপর আক্রমণ করে প্রতিপক্ষ। এতে ফয়সাল এবং তার মা ও বন্ধু পলাশ আহত হন। মা-ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয় আর পলাশকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এদিকে ফয়সাল সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগ হোমনা সদরে মিছিল ও থানা গেটে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সরকার বলেন, ইয়াসিনকে পেয়ে কেন সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য নেতাদের নামে খারাপ মন্তব্য করার বিষয়ে জানতে চাই। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ইয়াসিন ও ইমরান দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হামলা করে। আমার মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলে। সন্ধ্যায় আমার মাসহ থানায় অভিযোগ করতে যাচ্ছিলাম। থানার সামনে তারা আবার আমাদের ওপর লাঠি ও ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এতে আমি, মা ও বন্ধু পলাশ আহত হই।

পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মো. ইমরান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফয়সাল তার দলবল নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আমার ভাইকে মারধর করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তিন লাখ টাকাও নিয়ে যায়। আমরাও থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় ইয়াসিন, ইমরানসহ ছয়জনের নামে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. ইয়াসিন ও মো. আল আমিনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

error: Content is protected !!

কুমিল্লায় ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, ২ জন কারাগারে

তারিখ : ১২:৫৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

নিউজ ডেস্ক।।
কুমিল্লার হোমনায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৫ অক্টোবর) তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন মো. ইয়াসিন ও মো. আল আমিন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. ফয়সাল সরকার মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে আসা এক আত্মীয়কে রিসিভ করতে বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখানে যুবলীগ নেতা ইয়াসীনকে দেখে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ফেসবুক ও নানা স্থানে খারাপ মন্তব্য করার অভিযোগ তোলেন ফয়সাল। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এর জেরে ওই দিন বিকেলে ইয়াসিন ও তার ভাই পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান দলবল নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সরকারের বাড়িতে গিয়ে তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও গালাগাল করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফয়সাল সরকার তার মা ও বন্ধু পলাশকে নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে যাওয়ার পথে থানার সামনে আবার তাদের ওপর আক্রমণ করে প্রতিপক্ষ। এতে ফয়সাল এবং তার মা ও বন্ধু পলাশ আহত হন। মা-ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয় আর পলাশকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এদিকে ফয়সাল সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগ হোমনা সদরে মিছিল ও থানা গেটে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সরকার বলেন, ইয়াসিনকে পেয়ে কেন সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য নেতাদের নামে খারাপ মন্তব্য করার বিষয়ে জানতে চাই। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ইয়াসিন ও ইমরান দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হামলা করে। আমার মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলে। সন্ধ্যায় আমার মাসহ থানায় অভিযোগ করতে যাচ্ছিলাম। থানার সামনে তারা আবার আমাদের ওপর লাঠি ও ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এতে আমি, মা ও বন্ধু পলাশ আহত হই।

পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মো. ইমরান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফয়সাল তার দলবল নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আমার ভাইকে মারধর করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তিন লাখ টাকাও নিয়ে যায়। আমরাও থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় ইয়াসিন, ইমরানসহ ছয়জনের নামে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. ইয়াসিন ও মো. আল আমিনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।