০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করলে জেল–জরিমানা, আসছে নতুন অধ্যাদেশ কুমিল্লায় কন্যার মুখে কুরআন শুনে অনুপ্রাণিত, স্বপরিবারে ইসলাম গ্রহণ শ্যামল-সোনালীর কুমিল্লায় উল্টো পথে আসা অটোর সঙ্গে মাইক্রোর সংঘর্ষ, চালক নিহত কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্য গ্রেফতার, হাতুড়ি-ছুরিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার আলোর দিশারী’র পক্ষ থেকে দাউদকান্দির নবাগত ইউএনও কে ফুল দিয়ে বরণ দাউদকান্দিতে অবৈধ বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে গ্রামবাসী কুমিল্লায় রাতের আধারে কীটনাশক ছিটিয়ে কৃষকের ৬০ শতক জমির সবজি নষ্ট বুড়িচংয়ে নিম্ন আয়ের নারীদের মাঝে ভিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কুমিল্লায় দুই ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার নানা আয়োজনে আবৃত্তি সংসদ কুমিল্লার ৩৩ বর্ষপূর্তি উদযাপন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

  • তারিখ : ১০:২৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
  • 8

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির দাবির প্রেক্ষিতে ছয় বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (২৩ জুন) আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে বিষয়টি জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তি মতে, সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইংরেজি, পরিসংখ্যান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইসিটি ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির দাবি অযৌক্তিক। এই নিয়োগগুলো ৩০ জুনের মধ্যে না দিতে পারলে পদগুলো চলে যাবে। তখন আবার শিক্ষক সংকট নিরসন হবে না। নিয়োগ পরীক্ষাগুলো স্থগিত হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হলো। তবুও আমি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে তাদের এই অযৌক্তিক দাবি মানতে বাধ্য হলাম। আশা করি খুব দ্রুতই নিয়োগ পরীক্ষাগুলো নিতে পারবো।’

এ ব্যাপারে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ‘নতুন নিয়োগ বন্ধ করার দাবির পেছনে অনেকগুলো প্রেক্ষাপট আছে। এখানে যেসব নিয়োগ কার্যক্রম হচ্ছে সেগুলোর কিছু অভিন্ন নীতিমালা পাশ হওয়ার আগে হয়েছে। সেখানে তো অভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়নের কোন কারণ নেই। এছাড়া অভিন্ন নীতিমালাও তিনি নিজ ক্ষমতাবলে পাশ করিয়েছেন। উনি যদি আলোচনার মাধ্যমে এসব সমাধান করেন তাহলে আমরা মানবো। এছাড়া অবৈধ ডিন, চেয়ারম্যানের বিষয় তো আছেই।’

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর চিঠি দেয়। সর্বশেষ ২১ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সেখানেও নতুন নিয়োগ বন্ধের জন্য বলা হয় উপাচার্যকে।

error: Content is protected !!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

তারিখ : ১০:২৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির দাবির প্রেক্ষিতে ছয় বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (২৩ জুন) আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে বিষয়টি জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তি মতে, সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইংরেজি, পরিসংখ্যান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইসিটি ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির দাবি অযৌক্তিক। এই নিয়োগগুলো ৩০ জুনের মধ্যে না দিতে পারলে পদগুলো চলে যাবে। তখন আবার শিক্ষক সংকট নিরসন হবে না। নিয়োগ পরীক্ষাগুলো স্থগিত হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হলো। তবুও আমি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে তাদের এই অযৌক্তিক দাবি মানতে বাধ্য হলাম। আশা করি খুব দ্রুতই নিয়োগ পরীক্ষাগুলো নিতে পারবো।’

এ ব্যাপারে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ‘নতুন নিয়োগ বন্ধ করার দাবির পেছনে অনেকগুলো প্রেক্ষাপট আছে। এখানে যেসব নিয়োগ কার্যক্রম হচ্ছে সেগুলোর কিছু অভিন্ন নীতিমালা পাশ হওয়ার আগে হয়েছে। সেখানে তো অভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়নের কোন কারণ নেই। এছাড়া অভিন্ন নীতিমালাও তিনি নিজ ক্ষমতাবলে পাশ করিয়েছেন। উনি যদি আলোচনার মাধ্যমে এসব সমাধান করেন তাহলে আমরা মানবো। এছাড়া অবৈধ ডিন, চেয়ারম্যানের বিষয় তো আছেই।’

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর চিঠি দেয়। সর্বশেষ ২১ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সেখানেও নতুন নিয়োগ বন্ধের জন্য বলা হয় উপাচার্যকে।