প্রণোদনায় উজ্জীবিত মণি রাণী

স্টাফ রিপোর্টার।
স্থানীয় বাজার হতে বাহারী রকমের থ্রী পিছ মূল্য ধরে নিয়ে কিছু লাভে গ্রামে ফেরী করে বিক্রি করেন মণি রাণী (৫০) । দৈনিক ৪০০ টাকার মত আয় হয়। মাসে ২০দিনের মত গ্রামে যেতে পারেন। দশ বছর ধরে এ পেশার উপর নির্ভর করে জীবন যাপন করছে সাত সদস্যের পরিবারটি। স্বামী তপন কান্তি দে (৬৫) বয়সের ভারে নতজানু। পঙ্গু এক ছেলে, বিএ ও এসএসসি পড়ুয়া মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে মানুষের বাড়ীতে এখনও কাজ করছেন। বড় ছেলে কাঁকড়া ধরে বিক্রি করে সংসারের আর্থিক যোগান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সবকিছু মিলিয়ে সংসারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

গত বৎসর মার্চ মাসে করোনা মহামারি দেখা দিলে কর্মহীন হয়ে পড়ে পরিবারটি। সংসার চালাতে গিয়ে মণি রাণী ব্যবসার পুঁজি ভেঙ্গে খাওয়া শুরু করেন। এরই মধ্যে মহাজনের নিকট দেনা হন ৩০ হাজার টাকা। এতক্ষন যার কথা বলছিলাম কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকার ইসলামাবাদ হিন্দু পাড়ার সংখ্যালঘু এক পরিবারের।

সরকার এ পরিস্থিতির ক্ষতি কাটাতে ৭২ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনার প্যাকেজ ঘোষণা করে। তারমধ্যে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত ৭০০টি এনজিওর মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়।

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থ্যা কোস্ট ফাউন্ডেশনের ঈদগাঁহ শাখায় মণি রাণীকে আজ সেই প্রণোদনার ৩০ হাজার টাকা প্রদান করে। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় মণি রাণী জানান, ভগবান যেন সকলের মঙ্গল করেন। মহাজনের দেনা পরিশোধ করে আবারও ফেরী ব্যবসায় ঘুরে দাড়াবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আশিকুর রহমান জানান, কক্সবাজার অঞ্চলে ৪০ লক্ষ টাকা বিতরনের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার পরিচালক তারিক সাঈদ হারুন জানান, গ্রামীণ অর্থনীতি চালু রাখতে ২ কোটি টাকা আর্থিক প্রণোদনা বিতরন অব্যাহত আছে।

     আরো দেখুন:

পুরাতন খবর

You cannot copy content of this page