কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে কর্মকৌশল নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কৃষকের উৎপাদিত পণ্য মধ্যসত্তভোগীদের কয়েক হাত বদল হয়ে পৌছে ভোক্তার কাছে। উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে পণ্যের তফাৎ হয় কয়েকগুণ। সারাদেশের এই বাজার ব্যবস্থার বেহাল দশা কয়েক যুগ ধরে চলে আসছে।

কৃষকদের সংগঠিত করে কৃষি পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে ১৯৫৬ সালে ড. আখতার হামিদ খান প্রায়োগিক গবেষণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কুমিল্লার কোটবাড়ীতে পল্লী উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬০ সালে কুমিল্লার কোতয়ালীতে ‘দ্বি-স্তর সমবায় পদ্ধতি’ চালু করা হয়। পরবর্তীতে সমবায়ীদের সফল উদ্যেগে গড়ে উঠে মিল্ক ভিটা। জেলা ভিত্তিক অনেক সমবায় সংগঠন রয়েছে। জেলা সমাজ সেবা, সমবায় কার্যালয়, বিআরডিভি সহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তর এ সকল সমবায়কে নিবন্ধক দিয়ে থাকে। সমবায়গুলোর সুদুরপ্রসারী কর্ম পরিকল্পনা না থাকায় কৃষক সংগঠনগুলো লাভবান হচ্ছে না।

Post Inside

কৃষক এবং সমবায় সংগঠনগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষে ভোলায় সম্পন্ন হলো দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ। ৮-৯ সেপ্টেম্বর’২১ তারিখে কোস্ট ফাউন্ডেশন ভোলা কেন্দ্রে প্রশিক্ষনটি অনুষ্ঠিত হয়। কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালীর জেলার দশটি সমবায় সংগঠনের সতের জন নেতৃবৃন্দ প্রশিক্ষনে অংশ নেন।

প্রশিক্ষনে সংগঠনগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক কর্মকৌশল নির্ধারন করা হয়। কোস্ট ফাউন্ডেশনের এশিয়ান প্যাসিফিক ফার্মার্স প্রোগ্রাম (এপিএফপি) প্রকল্প উক্ত প্রশিক্ষন বাস্তবায়ন করে। প্রশিক্ষনে সহায়ক ছিলেন, যুগ্ন পরিচালক মুজিবুল হক মুনির, সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক, প্রকল্পের মনিটরিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম এবং বিজনেস ডেভোলাপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান। প্রশিক্ষনের শুভ উদ্ভোধন করেন, ভোলা জেলার মিউনিসিপ্যাল কো-অপারেটিভ এর সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি মোবাশ্বির উল্ল্যাহ চৌধুরী।

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!